জেলা পরিষদ নির্বাচনে শান্তির্পর্ণভাবে ভোট গ্রহন শেষে । সোমবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল থেকে ফলাফল ঘোষণা করেছেন সংশ্লিষ্ট রির্টাানিং অফিসাররা। এর আগে সোমবার সকাল ৯টা দুপুর ২টা পর্যন্ত একটানা শান্তিপূর্ণভাবে দেশের ৫৭ জেলায় জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন
হবিগঞ্জ: টানা দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী। ৯৬১ ভোট পেয়ে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী আবু নাইম মো. শিবলী খায়ের পেয়েছেন ৭৭ ভোট। অপর প্রার্থী অ্যাডভোকেট নুরুল হক পেয়েছেন ৪৩ ভোট।
সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্রপ্রাথী ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নূরুল হুদা মুকুট মোটরসাইকেল প্রথীকে ৬০১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকট প্রতিদ্বন্ধী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট খায়রুল কবির রুমেন ঘোড়া প্রার্থীকে ৬০৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় জেলা পরিষদ নির্বাচনের রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ফলাফল ঘোষণা করেছেন।
জেলার ১২টি উপজেলা ও ৪টি পৌর সভায় মোট ভোটার ১ হাজার ২২৯ জনের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ২১৮ জন। এর মধ্যে দুইটি ভোট অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
খুলনা: খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে শেখ হারুনুর রশিদ পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।
শেখ হারুনুর রশীদ মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম এম মোর্ত্তজা রশিদী দারা পেয়েছেন ৪০৩ ভোট।
পটুয়াখালী: আওয়ামী লীগের পদবঞ্চিত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ঘোড়া প্রতীকে ৫৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগ মনোনীত আনারস প্রতীকের খলিলুর রহমান মোহন পেয়েছেন ৪৭১ ভোট। ফরিদপুর: স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাত হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, চমশা প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাত হোসেন ৬২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ফারুক হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪০ ভোট।
চুয়াডাঙ্গা: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মনজু নির্বাচিত হয়েছেন। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু পেয়েছেন ২৪৯ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলন মনোনীত মুফতি আব্দুস সালাম পেয়েছেন ৩ ভোট।
রাজশাহী: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল নির্বাচিত হয়েছেন। কাপ-পিরিচ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আক্তার পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট। এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার ইকবাল বাদল পেয়েছেন (তালগাছ) ৭ ভোট এবং আফজাল হোসেন (আনারস) ৪ ভোট পেয়েছেন।
পঞ্চগড়: স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হান্নান শেখ চশমা প্রতীকে ২৮৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী মনোনীত আবু তোয়বুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৩১ ভোট।
কিশোরগঞ্জ: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট মো. আশরাফ উদ্দিন পেয়েছেন ২৫৭ ভোট।
রাজবাড়ী: আওয়ামী লীগ প্রার্থী সফিকুল মোরশেদ আরুজ নির্বাচতি হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী দীপক কুন্ডু পেয়েছেন ভোট ১৩৮ ।
সাতক্ষীরা: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম ৬০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী খলিলুল্লাহ ঝড়ু পেয়েছেন ৪৫১ ভোট।
নীলফামারী: আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী সাবেক জেলা প্রশাসক ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন মটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১৮ ভোট।