বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

ডিআইজি মিজান স্থায়ীভাবে বরখাস্ত

দেশ ভয়েস ডেস্ক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২২, ৮:৪৪ pm
  • ৬ Time View

দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাগারে থাকা ডিআইজি মিজানুর রহমানকে সরকারি চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খানের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মিজানুর রহমানের (অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিএমপি; সাময়িক বরখাস্ত এবং পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত) বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে ৬ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের মামলার তদন্ত শেষে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ একাধিক অভিযোগে চার্জশিট দাখিল করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। সেহেতু সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৪২(১) ধারা অনুযায়ী মিজানুর রহমানকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো।

জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

২০১৮ সালে যুগান্তরে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে এক সংবাদপাঠিকাকে জোর করে বিয়ে করার সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনার হয়। ওই ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরসহ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির পরিচালক মনজুর মোর্শেদ বাদী হয়ে মামলা করেন। আসামিরা হলেন- মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রতœা, ভাগ্নে পুলিশের এসআই মাহমুদুল হাসান ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান। এজাহারে আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

এরপর ডিআইজি মিজানকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। পরে একই বছরের ২৫ জুন তাকে সাময়িক বরখাস্তের কথা সাংবাদিকদের জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধান শেষে তার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।

এরমধ্যে মামলা তদন্তকালে তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় এনামুল ও ডিআইজি মিজানকে আসামি করা হয়।

চলতি বছরের গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘুষের মামলায় ডিআইজি মিজানুর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। বর্তমানে তিনি এখন কারাবন্দি আছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
আর্কাইভ
© ২০২২-২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দেশ ভয়েস।
jphostbd.com