ইউক্রেনে অভিযান শুরুর পর রাশিয়ার নিন্দা না করে নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকার দাবি করেছে চীন। একই সাথে মস্কোর সাথে সম্পর্ক গভীর করেছে বেইজিং এবং একসঙ্গে সামরিক মহড়ার পাশাপাশি নৌ ও বিমান টহল চালাচ্ছে দেশ দুটি। আর এতেই অশনি সংকেত দেখছেন ন্যাটো মহাসচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ।
চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের বিষয়ে শুক্রবার (১৭ ফেব্রæয়ারি) সতর্ক করে পশ্চিমা দেশগুলোকে একত্রে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ইউক্রেন যুদ্ধে কোনও পক্ষের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই: শীর্ষ মার্কিন জেনারেল মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের ফাঁকে বক্তৃতাকালে স্টলটেনবার্গ বলেন, চীন ও রাশিয়ার মধ্যে বর্ধিত এবং শক্তিশালী সম্পর্ককে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ন্যাটো।
তিনি বলেন, যখন স্বৈরাচারী শক্তিগুলো কাছাকাছি আসছে এবং আরো ঘনিষ্ঠভাবে একসাথে কাজ করছে, তখন এটি আরো গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা যারা গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি তাদের সকলের ন্যাটোতে এবং বিশ্বব্যাপী আমাদের অংশীদারদের সাথে একত্রে দাঁড়ানো।
স্টলটেনবার্গ বলেন, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে জয়ী হলে এটি বেইজিংয়ের হিসাব-নিকাশ ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। তাই বেইজিং ইউক্রেনের যুদ্ধ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
এদিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ পশ্চিমা শক্তিগুলোর মধ্যে ভয় জাগিয়েছে যে চীন তাইওয়ানে অনুরূপ কিছু চেষ্টা করতে পারে। তাইওয়ান হচ্ছে স্বায়ত্বশাসিত একটি গণতান্ত্রিক দ্বীপ যা বেইজিং তার ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে।
শুক্রবার শুরু হওয়া মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই সহ বিশ্ব নেতারা অংশ নিচ্ছেন। সূত্র: এএফপি