বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

ঢাবির ৯৪৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন

দেশ ভয়েস ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪, ১০:৪৯ pm
  • ৪ Time View

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের ৯৪৫ কোটি ১৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকার রাজস্ব ব্যয় সংবলিত প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। বুধবার (২৬ জুন) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের বার্ষিক অধিবেশনে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

এবারের বাজেটে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গবেষণা খাতে বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত দুই অর্থবছরে যা ছিল ১৫ কোটি টাকা, মোট বাজেটের ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

উপাচার্যের অভিভাষণের পর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এই বাজেট উপস্থাপন করেন। নতুন অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর বেতন-ভাতায় বরাদ্দ বেড়েছে। বেতনে খরচ দেখানো হয়েছে ২৯৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের ৩১.৬৫ শতাংশ।

বিভিন্ন ভাতা বাবদ ২১৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং পণ্য ও সেবা খাতে ২২০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে যা যথাক্রমে বাজেটের ২৩.১২ শতাংশ ও ২৩.৩৩ শতাংশ।

অর্থাৎ বাজেটের ৭৮ শতাংশই এই খাতগুলোতে ব্যয় হবে। গত বছর এসব খাতে ৭৬ শতাংশ খরচ দেখানো হয়েছিল। নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৯৪৫ কোটি ১৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকার বাজেটে ৮০৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা আয় হবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুদান থেকে, যা মোট আয়ের ৮৫.১১ শতাংশ।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় দেখানো হয়েছে ৯০ কোটি টাকা (বাজেটের ৯.৫২ শতাংশ), যা গতবার ছিল ৮৫ কোটি টাকা। ফলে বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ঘাটতি ছিল ৬০ কোটি ৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা, যা মোট বাজেটের ৬.৫৮ শতাংশ। এবার ঘাটতি ৫০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, যা মোট বাজেটের ৫.৩৭ শতাংশ।

অধিবেশনে সভাপতির অভিভাষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষণাধর্মী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, দেশি-বিদেশি গবেষকদের আকৃষ্ট করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিগগিরই ‘বঙ্গবন্ধু ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম’ চালু করা হবে। আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রস্তুত করতে বহুমাত্রিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রথম বর্ষের সব অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে বৃত্তির আওতায় আনা হবে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ক্যাম্পাসভিত্তিক নতুন নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

অধিবেশনে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
আর্কাইভ
© ২০২২-২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দেশ ভয়েস।
jphostbd.com