সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ভবিষ্যৎ তহবিল (জিপিএফ) জমা রাখার জন্য সরকারি চাকরিজীবীরা সুদ বা মুনাফা পাবেন ১৩ শতাংশ হারে।
তবে ১৫ লাখ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়ের ওপর মুনাফা ১২ শতাংশ ও এর উপরে অর্থের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে ১১ শতাংশ হারে। গত বুধবার জিপিএফ এবং সিপিএফের মুনাফার হার পুনর্র্নিধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
তবে বাজারে প্রচলিত যত ধরনের সুদ রয়েছে, তার মধ্যে সর্বোচ্চ হারে পাবেন সরকারি কর্মচারীরা। যেমন কোনো ব্যক্তি ব্যাংকে স্থায়ী আমানত (এফডিআর) রাখলে বর্তমানে ৬ থেকে ৭ শতাংশ সুদ পান। আর সঞ্চয়পত্র কিনলে সরকার ৯ থেকে ১১ শতাংশ সুদ দেয়। কিন্তু সরকারি কর্মচারীরা সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) এবং প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলে (সিপিএফ) ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদ পাবেন ১৩ শতাংশ। বিগত ছয় বছর ধরেই তহবিল দুটিতে তারা এই হারে সুদ পাচ্ছেন।
প্রজ্ঞাপনে পুনর্র্নিধারণ করে মুনাফার হার তিন স্তর করা হয়েছে। অর্থাৎ বেশি অঙ্কের টাকা সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ সুদ হার কমানো হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ প্রতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এক বছরের জন্য জিপিএফ ও সিপিএফের সুদহার নির্ধারণ করে থাকে। অর্থ বিভাগ প্রজ্ঞাপনে বলেছে সিপিএফভুক্ত সব প্রতিষ্ঠান (স্বায়ত্তশাসিত, সংস্থা, করপোরেশন) এর আর্থিক সঙ্গতি একরকম না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নিজস্ব আর্থিক বিধান অনুযায়ী স্লাবভিত্তিক হারগুলোকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিতে হবে। সে অনুযায়ী সিপিএফ-এ জমাকৃত আমানতের ওপর হ্রাসকৃত হারে মুনাফা নির্ধারণ করতে হবে।