বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জলাভূমির বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞবদ্ধ হয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।
তিনি বলেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে মন্ট্রিলে গৃহীত কুনমিং-মন্ট্রিল গ্লোবাল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্কের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের জাতীয় জীববৈচিত্র্য কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা আপডেট করার জন্য কাজ করছে সরকার।
বুধবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর পরিবেশ অধিদফতরে ‘ইকোসিস্টেম রেস্টোরেশন ইন দ্যা কনটেক্সট অব ক্লাইমেট অ্যান্ড আদার ভালনারেবিলিটি’ বিষয়ক কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স-বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়া (সিআইসিএ) কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে এসব কথা বলেন পরিবেশমন্ত্রী।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার দশক ২০২১-২০৩০ এ জলাভূমি সংরক্ষণের জন্য সব দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের অবশ্যই টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা নীতি এবং অনুশীলনগুলো প্রচার করে জলাভূমির অবক্ষয় মোকাবিলা করতে হবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত সাবের হোসেন চৌধুরী।
এ ছাড়াও তুরস্ক, থাইল্যান্ড, কিরগিজস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, শ্রীলঙ্কা সহ বিভিন্ন সিআইসিএ দেশের প্রতিনিধিত্বকারী বিশেষজ্ঞ মহল এবং কর্মকর্তারা ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন এই কর্মশালায়।