শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

টমটম চালককে বাঁচাতে ছরিকাঘাতে দোকানি নিহত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
  • বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৩, ৮:১৭ পিএম

সুনামগঞ্জ শহরের নবীনগর পয়েন্টে টমটমের পেছনে ধাক্কা দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা থেকে টমটম চালক রুমান মিয়া (২৪)কে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে ফারুক মিয়া (৩২) নামের এক দোকানি নিহত হয়েছেন। নিহত ফারুক মিয়া শহরতলীর মাইজবাড়ি গ্রামের ওয়ারিস আলীর ছেলে ও আহত টমটম চালক রুমান মিয়া একই গ্রামের ফজর আলীর ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) দুপুর পৌণে ১২টার দিকে শহরের নবীনগর পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। আহত রুমান মিয়াকে প্রথমে সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ও পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। তবে আটকৃতদের নাম পরিচয় জানাননি তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পৃতিবার বেলা পৌণে ১২টার দিকে সুনামগঞ্জ শহরের নবীনগর সড়কে নবীনগর পয়েন্টে কাজল মিয়ার ওয়ার্কশপের সামনে শহরতলীর মাইজবাড়ি গ্রামের ফজর আলীর ছেলে রুমান মিয়ার টমটম শহরের বনানীপাড়ার নাজমুল (১৯) এর টমটমকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এনিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয় লোকজন রুমান ও নাজমুলের ঘটনা মিমাংসা করে দেন।

কিছুক্ষণপর টমটম গাড়ি ভর্তি করে নাজমুল শহরের বনানী পাড়া থেকে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন সহযোগীসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নবীনগর পয়েন্টে এসে টমটম চালক রুমন মিয়ার উপর হামলা করে রুমানের বুকের বাম পাশে ছুরি দিয়ে আঘাত করলে সঙ্গে সঙ্গে রুমান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় নবীনগর পয়েন্টের দোকানদার ফারুক মিয়া রুমনকে বাচাতে এলে নাজমুল ও তার সহযোগিরা ফারুকেও ছরিকাঘাত করে। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এলে নাজমুল ও তার সহযোগিরা পালিয়ে যায়।

সঙ্গে সঙ্গে আহত টমটম চালক রুমান ও দোকানদার ফারুককে সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদও হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফারুককে মৃত ঘোষণা করেন এবং টমটম চালক রুমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

এই বিভাগের আরো খবর
© ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দেশ ভয়েস।
jphostbd.com