বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

দম্ভের প্রতীক গণভবন এখন পরিত্যক্ত শ্মশান

দেশ ভয়েস ডেস্ক
  • Update Time : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১২:২২ am
  • ১ Time View

স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবন পরিদর্শন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতা ও দম্ভের প্রতীক এই গণভবন এখন এক পরিত্যক্ত শ্মশান।

শনিবার (২২ ফেব্রæয়ারি) বিকালে ফেসবুকে পরিত্যক্ত গণভবন পরিদর্শনের ছবি পোস্ট করে একথা লেখেন।

তাজুল ইসলাম লেখেন, “পতিত স্বৈরশাসকের শখের বালাখানা ‘গণভবনে’ গিয়েছিলাম আলামত সংগ্রহের জন্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা অনেক আলামত সংগ্রহ করেছে এখান থেকে। নমরুদ, ফেরাউন, মার্কোস, কিংবা বাশার আল আসাদের মতো শেখ হাসিনাকেও সাধের প্রাসাদ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। ক্ষমতা ও দম্ভের প্রতীক এই গণভবন এখন এক পরিত্যক্ত শ্মশান। ভবিষ্যতের স্বৈরশাসকরা এখান থেকে শিক্ষা নেবেন কি?”

ফেসবুকে দেওয়া গণভবনের ছবিগুলোতে দেখা যায়, ভেতরে প্রবেশের রাস্তায় আবর্জনা, গাছের ঝরা পাতা, ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। ভেতরে পড়ে আছে কাঠের ভারী আসবাবপত্র ও গৃহস্থালি জিনিসপত্র, এলোমেলোভাবে স্তূপ হয়ে আছে নথিপত্র। দেওয়ালে দেওয়ালে নানা গ্রাফিতিতে ৫ আগস্টে মানুষের ক্ষোভ বা বিজয়ের চিহ্ন।

একটি ছবিতে দেখা যায়, দেওয়ালে লেখা আছে সাগর-রুনীর হত্যার বিচার চাই, পিলখানা হত্যার বিচার চাই, ২৮ অক্টোবরের বিচার চাই, ফেলানি হত্যার বিচার হবে, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই, পিশাচিনি হাসিনা গেলি কই!

পৌনে তিন একর জায়গাজুড়ে নির্মিত গণভবন ১৯৭৩ সালে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক নির্মাণের পর থেকে শেখ হাসিনা ছাড়া কোনো প্রধানমন্ত্রী বসবাস করেননি। খালেদা জিয়া, জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালীন সেনানিবাসের বাসভবন ব্যবহার করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
আর্কাইভ
© ২০২২-২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দেশ ভয়েস।
jphostbd.com