সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

নতুন আতঙ্ক নিওকোভ, কাজে আসবে না টিকাও

নিউজ ডেস্ক
  • শনিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২২, ৮:৫৮ পিএম

করোনাভাইরাসের ধরণ ওমিক্রন যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, এরমধ্যেই আবার আরো একটি নতুন ধরণ শনাক্তের কথা বলছেন চীনা গবেষকরা। এর নাম দেওয়া হয়েছে নিওকোভ। যা কি না অ্যান্টিবডি দিয়েও ঠেকানো যাবে না।

চীনা গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, আপাতত এ ভাইরাস দক্ষিণ আফ্রিকায় বাদুড়ের শরীরে ছড়ালেও ভবিষ্যতে তা মানুষের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। তবে শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, নিওকোভ নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের উহানের গবেষকেরা করোনাভাইরাসের নতুন ওই ধরণ শনাক্ত করেছেন। গবেষক দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, নিওকোভ ধরণটি এখন পর্যন্ত মানুষকে আক্রান্ত করেনি। তবে এর আরও রূপান্তর ঘটলে তা মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তাঁরা মনে করছেন, মানুষের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে ধরণটির আর একটিমাত্র রূপান্তর প্রয়োজন।

গবেষকেরা বলছেন, ২০১২ সালে সৌদি আরবে শনাক্ত হওয়া ভাইরাস মার্সের (মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) সঙ্গে নতুন ধরণটি খুব সংশ্লিষ্ট। এটি মার্স কভের মতোই প্রাণঘাতী (প্রতি তিনজনে একজনের মৃত্যু) এবং বর্তমান করোনাভাইরাসের বিভিন্ন ধরনের মতো উচ্চ সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন হতে পারে।

চীনা গবেষকরা আরও আশঙ্কা করেছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য বিদ্যমান অ্যান্টিবডি দিয়ে নিওকোভকে ঠেকানো যাবে না। গবেষণা প্রতিবেদনটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়নি। বায়োআরজিভ ওয়েবসাইটে এর পাণ্ডুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে। রুশ বার্তা সংস্থা তাসের এক প্রতিবেদনে নিওকোভ নিয়ে ডব্লিউএইচওর বক্তব্যকে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

শুক্রবার সংস্থাটি বলেছে, গবেষণায় ভাইরাসের যে ধরণ শনাক্ত হয়েছে, এটি মানবশরীরের জন্য হুমকি তৈরি করবে কি না, তা নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

ডব্লিউএইচও বলছে, যেসব ভাইরাস মানবদেহকে আক্রান্ত করে, তার ৭৫ শতাংশেরই উৎস বন্য প্রাণী। বাদুড়সহ বিভিন্ন প্রাণীর শরীরে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস শনাক্ত হয়। এসব ভাইরাসের বেশির ভাগেরই প্রাকৃতিক ভান্ডার হিসেবে বাদুড়কে অভিহিত করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর
আর্কাইভ
© ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দেশ ভয়েস।
jphostbd.com