রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহের অভিযোগে ইরানের চার কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। শুক্রবার (২৩ জুন) ইউরোপিয়ান কাউন্সিল এই নিষেধাজ্ঞার অনুমোদন দেয়।
এই চারটি কোম্পানির বিরুদ্ধে ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অভিযোগ করেছে যে, কোম্পানিগুলো ড্রোন তৈরি করে রাশিয়ায় সরবরাহ করেছে।
গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া সামরিক অভিযান শুরু করার পর মস্কোর বিরুদ্ধে ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ১১তম দফায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তারই অংশ হিসেবে ইরানের কোম্পানিগুলোর ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
ইরানের চারটি কোম্পানিসহ ইউরোপীয় কাউন্সিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৮৭টি কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তারা সরাসরি রাশিয়ার সামরিক ও শিল্প কমপ্লেক্সগুলোকে সহযোগিতা করছে। বিশ্বের এসব কোম্পানি পণ্য ও প্রযুক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধের আওতায় পড়বে।
বিশ্বের এই ৮৭টি কোম্পানির বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়ন অভিযোগ করেছে, তারা ইউক্রেনের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা হুমকির মুখে ফেলার জন্য দায়ী। পশ্চিমা দেশগুলো যতবারই রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহের ব্যাপারে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে, তেহরান ততবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর কিছুদিন পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দুল্লাহিয়ান জানিয়েছিলেন, রাশিয়া ইরানের যে কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করছে তা যুদ্ধ শুরুর অনেক আগেই দেয়া হয়েছিল। যুদ্ধ শুরুর পর কোনো ড্রোন রাশিয়াকে দেয়া হয়নি। সূত্র: ইরান ফ্রন্ট পেজ।