সিলেট ও সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়। সিলেটের জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানিগঞ্জ, গোয়াইনঘাট উপজেলা এবং সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বজ্রপাতে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, জৈন্তাপুর উপজেলায় আগফৌদ গ্রামের নুরুল হকের ছেলে নাহিদ আহমদ, ভিত্রিখেল ববরবন্দ গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে আব্দুল মান্নান, কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউনিয়নের কেওটিহাওর গ্রামের আব্দুল মিয়ার ছেলে কালা মিয়া, কানাইঘাট পৌরসভার বাসিন্দা নুর উদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পুটামারা গ্রামের নেজামুল হক, গোয়াইনঘাট উপজেলার ভিতরখেল হাওরের বাসিন্দা রাজ্জাক মিয়ার স্ত্রী রুকসানা বেগম এবং সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের সিরাজপুর গ্রামের সুলকু মিয়ার ছেলে দীন ইসলাম।
জৈন্তাপুর থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানান, নাহিদ বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়েছিলেন আর আব্দুল মান্নান মাঠে কৃষিকাজ করছিলেন। হঠাৎ বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।
কানাইঘাট থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নুর উদ্দিন মাছ ধরছিলেন আর কালা মিয়া ট্রাক্টর দিয়ে মাঠে হাল চাষ করছিলেন। ওই সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তারা দুইজন মারা যান।
কোম্পানিগঞ্জে নিহত নেজামুলের স্বজনরা জানান, নেজামুল হাঁস চরানোর জন্য পাশের হাওরে যাচ্ছিলেন। এসময় বজ্রাপাত হলে মারা যান তিনি।
গোয়াইনঘাট থানার ওসি হারুনুর রশিদ জানান, বাড়ির উঠানে কাজ করা অবস্থায় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান রুকসানা।
অন্যদিকে, সুনামগঞ্জে বাড়ির পাশের হাওরে লাকড়ি আনতে গিয়ে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান দীন ইসলাম।
এছাড়া সুনামগঞ্জে জেলার তাহিরপুর উপজেলায় আকস্মিক বজ্রপাতে সুজন মিয়া ও সিরাজ মিয়া নামে আপন দুই ভাই আহত হয়েছেন। সুজন ও সিরাজ উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিকূল গ্রামের আনফর আলীর ছেলে। উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের কামারকান্দি গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীতে এ ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে আহত সুজন মিয়াকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি মো. কাওছার আলম জানান, বজ্রপাতে মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচএফপিও ডা. মির্জা রিয়াদ হাসান জানান, বজ্রপাতে আহত সুজন মিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।