গত বছরের ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা মামলায় সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৬ নেতার জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
এরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শঙ্কর চন্দ্র দাস, হাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অমল কান্তি কর, কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী লীগের নেতা ফজলুল হক, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর আহমদ খন্দকার, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এহসানুল হক উজ্জল ও সাধারণ সম্পাদক উকিল আলী।
আজ বুধবার (১৪ মে) সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিনের আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন নামঞ্জর করেন।
সুনামগঞ্জের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানাগেছে, গত ৪ আগস্ট সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাসস্টেশন এলাকায় শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় আহত এক শিক্ষার্থীর ভাই হাফিজ আলী ২ সেপ্টেম্বর সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও সাবেক এমপি মুহিবুর রহমান মানিকসহ ৯৯ জনকে আসামি করে সুনামগঞ্জ দ্রæত বিচার আদালতে এ মামলা করেন।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই মামলায় জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শঙ্কর চন্দ্র দাস, আমল কান্তি কর, ফজলুল হক, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহŸায়ক মঞ্জুর আহমদ খন্দকার, যুবলীগ নেতা এহসানুল হক উজ্জল, উকিল আলী ও নূরুল ইসলাম বজলু সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিন-এর আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ বিচারক শঙ্কর চন্দ্র দাস, আমল কান্তি কর, ফজলুল হক, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর আহমদ খন্দকার, যুবলীগ নেতা এহসানুল হক উজ্জল, উকিল আলীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন এবং অসুস্থ থাকায় যুবলীগ নেতা নূরুল ইসলাম বজলুর জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে ওই ৬ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৭ নেতা উচ্চ আদালত থেকে দুই মাসের জামিন নিয়ে এসেছিলেন। আজ জেলা জজ আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ আদালত ৬ জনের জামিন নামঞ্জুর করে করে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।
এ মামলায় সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও সাবেক এমপি মুহিবুর রহমান মানিক জামিনে রয়েছেন।