সুনামগঞ্জে ১২ টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে আড়াই সহ¯্রাধিক স্থানে ঈদ-উল-ফিতরের অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়ও সুনামগঞ্জ জেলা শহরের ১৮ স্থানে ঈদ-উল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে জেলার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ।
শনিবার সকাল ৮ টা থেকে ৯ টার মধ্যে জেলার ১২টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভার বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, সকাল ৮ টায় সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জামাতের পূর্বে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, জেলা প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সভাপতি দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সরকারের পক্ষ থেকে ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সমাজে শান্তি শৃঙ্খরা বজায় থাকলে দেশের উন্নয়ন ভাল হয়, সকলক্ষে ভাল হয়। তিনি বলেন, আল্লাহ তাাালা পবিত্র কোরআনে সমাজে শান্তি শৃঙ্খলার উপর ভিষণ গুরুত্ত¡ দিয়েছেন। তোমরা পরষ্পরে বিবাদ করিও না-এই ধরনের অনেক নির্দেশনা মহান কোরআনে আছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা মনে করি বাংলাদেশের উন্নয়নের যে বিশাল পরিবর্তন দেখা গেছে, সেটা সম্ভব হয়েছে বিগত কয়েক বছর একটানা শন্তি শৃঙ্খলা ও সুরক্ষ বজায় থাকায় সম্ভব হয়েছে। আজকে আমাদের প্রত্যাশা বাংলাদেশে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় থাকুক, বিবাদ বিবাদ বিসংবাদ না হোক। সকল ধরনের মনোমালিন্য আমরা আলোচনার মাধ্যমে, ভাইয়ে ভাইয়ে বসে মেকাবেলা করব।
পরে প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর মিসবাহ, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী,জেলা প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরীসহ রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের মুসল্লিরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদ উল ফিতরের জামাত আদায় করবেন।
প্রধান জামতে ইমামতি করেন, সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় মডেল মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান।
নামাজ শেষে দেশ ও জতি এবং বিশ^ মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।