ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইলের হামলায় নিহত হওয়ার পরে এখন মধ্যপ্রাচ্যের নানা দিকে ছড়িয়ে পড়েছে সংঘর্ষ। খামেনিকে হামলা চালিয়ে নিহত করার পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা নিজেদের দেশের সরকারকে উৎখাত করে।
ইরানও জবাবি হামলা চালিয়ে ইসরাইল, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডন, সৌদি আরব, সাইপ্রাসের ওপরে ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করা জাহাজেও হামলা করেছে ইরান।
ইরান সমর্থিত লেবাননের শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহও সংঘর্ষে যোগ দিয়ে লেবাননের অভ্যন্তরে তাদের ঘাঁটিগুলো থেকে ইসরাইলের দিকে রকেট নিক্ষেপ করছে। আবার তার জবাবে ইসরাইলও লেবাননে হেজবুল্লাহর ঘাঁটিগুলোর ওপরে হামলা করেছে।
এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হচ্ছে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বাধল, তার কী প্রভাব পড়বে, আর কতদিনই বা চলতে পারে এই যুদ্ধ?
ইরানে কী হচ্ছে?
যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইল গত শনিবার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামো, সামরিক স্থাপনা আর শীর্ষ নেতৃত্বের ওপরে ব্যাপক হামলা শুরু করে।
প্রথম দফার হামলাতেই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পরিসরটি মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়, নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেস জানিয়েছে যে বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ইরানি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ইসলামিক রেভলিউশন গার্ড কোর বা আইআরজিসি-র বেশ কয়েকজন নেতাও নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে আছেন নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ এবং আইআরজিসির কমান্ডার, জেনারেল মুহম্মদ পাকপৌর।
এরপরে আহমেদ ভাহিদিকে নতুন সর্বোচ্চ কমান্ডার হিসেবে ঘোষণা করে আইআরজিসি।
ইরানি রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশটিতে ৭৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে আইআরজিসি-র একটি ঘাঁটির কাছাকাছি একটি স্কুলে হামলা চালানো হয়, যাতে শিশুসহ ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরানের ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ। দেশটির আকাশসীমাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনীর জবাবি হামলা চালানোর ক্ষমতা এখনো আছে।
রোববার যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইল নতুন করে হামলা চালায় রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায়। ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে ইরানি নৌবাহিনীর সদর দফতর ধ্বংস করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড, সেন্ট-কম সোমবার জানায় যে ওমান উপসাগরে তারা ১১টি ইরানি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে। এখন ওই এলাকায় আর কোনো ইরানি জাহাজ নেই বলেও দাবি করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইল কেন ইরানের ওপরে হামলা চালালো?
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে এই হামলার লক্ষ্য ছিল, ‘ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করা।’
‘আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংস করে দেবো, ওদের ক্ষেপণাস্ত্র কারখানাগুলো মাটিতে মিশিয়ে দেব। পুরোপুরি মুছে দেওয়া হবে ওগুলো, ‘গত শনিবার সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ’— এ পোস্ট করা আট মিনিটের একটি ভিডিওতে বলেছিলেন ট্রাম্প।’
ইরানের সামরিক বাহিনীকে তিনি হুমকি দেন, অস্ত্র নামিয়ে দিয়ে ‘সম্পূর্ণ নিরাপত্তা’ বেছে নিন নয়তো ‘নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হোন।’
ইরানের মানুষের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন তারা যেন ধর্মীয় নেতাকেন্দ্রিক সরকারকে উৎখাত করার প্রস্তুতি নেন, ‘আমাদের কাজ শেষ হলে নিজেদের সরকারের দায়িত্ব নিন। আপনাদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। কয়েক প্রজন্মের মধ্যে আপনাদের সামনে সম্ভবত এই একটাই সুযোগ।’
যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের এই ব্যাপক সামরিক সংঘাত শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিচ্ছিলেন যে ইরান যদি তার পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে নতুন এক চুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে তিনি সামরিক হামলার নির্দেশ দেবেন।
ইরান বারেবারেই দাবি করে এসেছে যে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবেই শান্তিপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে যে তারা চায় ‘ইরান সরকারের নিরাপত্তা বিষয়ক কাঠামো ভেঙে দিতে, বিশেষত যেসব স্থাপনাগুলো থেকে আশু হুমকি আছে, সেগুলিকে অগ্রাধিকার দিতে’।
এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ‘ইরানের সন্ত্রাসী কর্তৃপক্ষ যে অস্তিত্বের সংকট তৈরি করেছে, তা নিশ্চিহ্ন করতে অভিযান’ শুরু করেছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র।
ওই হামলাগুলোকে ইরান ‘বিনা প্ররোচনায় চালানো, বেআইনি এবং অবৈধ’ বলে বর্ণনা করেছে। গোটা অঞ্চলে ব্যাপক পাল্টা হামলাও চালিয়েছে ইরান।
ইরান কিভাবে জবাব দিয়েছে?
ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আছে, মধ্যপ্রাচ্যের এমন কতগুলো দেশের ওপরে এবং সাইপ্রাসে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের একটি সামরিক ঘাঁটির ওপরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন দিয়ে হামলা করেছে ইরান। ইরানের উপকূলে কয়েকটি জাহাজেও হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি বলেছে যে তারা তেল আভিভ এবং অন্যান্য জায়গায় ইসরায়েলি সরকার ও সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, বেইত শেমেশের একটি আবাসিক এলাকায় আঘাত করায় নয়জন নিহত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে একটি ড্রোন সাইপ্রাসে তাদের অ্যাকরোটিরি সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত করেছে। ওই হামলায় কেউ হতাহত হয়নি তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কয়েকজনকে রয়্যাল এয়ারফোর্স ঘাঁটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
কাতার, বাহরাইন, জর্ডন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত – যেখানেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি আছে সেগুলোতে আর ওমান ও সৌদি আরবকে লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে।
দুবাই, দোহা ও মানামা শহরসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে আরও হামলার শব্দ শোনা গেছে সোমবার। ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে যে তারা কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটি এবং ভারত মহাসাগরে জাহাজগুলিতে হামলা চালাতে ১৫টি ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করেছে।
দুবাইতে হোটেলসহ বেসামরিক স্থাপনাগুলোর পাশাপাশি সামরিক স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের আরব মিত্র দেশগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘বেসামরিক নাগরিক এবং সংঘর্ষে জড়িত নয় এমন দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা এক বেপরোয়া ও অস্থিতিশীল আচরণ।’
সোমবার কুয়েতের ওপর দিয়ে উড়তে থাকা তিনটি মার্কিন বিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। প্রাণে বেঁচে যান পাইলটরা। ওই ঘটনাকে ‘ভুল করে গুলি চালানো ঘটনা’ বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
সোমবার পর্যন্ত হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
সেন্ট-কম জানিয়েছে, ‘এই অঞ্চলে ইরানের প্রাথমিক হামলায় আঘাত করা হয়েছিল, এমন একটি স্থাপনা থেকে দুজন সেনা সদস্যের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের আগে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।’
সোমবার সকাল পর্যন্ত অপারেশন এপিক ফিউরিতে ১৮ জন মার্কিন সেনা সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন বলে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের এক মুখপাত্র সংবাদ নেটওয়ার্ক সিবিএসকে জানিয়েছেন।
সোমবারই হেজবুল্লাহ ইসরাইলে হামলা চালানোর পর চলমান সংঘর্ষের একটি নতুন ফ্রন্ট খুলে গেছে, যার জবাবে ইসরাইলি ডিফেন্স ফোর্সেস দক্ষিণ লেবানন ও রাজধানী বৈরুতের হামলা চালায়।
ইরান সরকারের মিত্র এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানিয়েছে যে তারা খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নিতে চাইছে।
লেবাননের কর্মকর্তারা বলেছেন যে ওই হামলায় এখন পর্যন্ত কয়েক ডজন নিহত বা আহত হয়েছে।
আবারও কয়েকদিন ধরে হামলা চলতে পারে, এমন ইঙ্গিত দিয়ে ৫০টি গ্রামের বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে আহ্বান জানিয়েছে ইসরাইল।
যুদ্ধ কিভাবে অর্থনীতি এবং জ্বালানির দামকে প্রভাবিত করছে?
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে, কারণ উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি শিল্পও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
কাতারের রাষ্ট্র পরিচালিত জ্বালানি সংস্থা বলেছে যে ইরানি হামলার কারণে তারা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে, যার ফলে সোমবার গ্যাসের দাম ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সৌদি আরবের রাস তানুরা তৈল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলার পরে ওই স্থাপনাটি আংশিকভাবে বন্ধ করে দিতে হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
ইরান আগেই সতর্ক করে দিয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতে কোনো জাহাজ না চলাচল করে। গুরুত্বপূর্ণ ওই প্রণালীটি দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করে, সেগুলোতেই বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস বহন করা হয়।
জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী দাম ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে পেট্রলের দাম বৃদ্ধি এবং তার বিরূপ ফল আন্তর্জাতিক অর্থনীতির ওপরেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
খামেনির উত্তরসূরি কিভাবে নির্বাচন করা হতে পারে?
ইরান জানিয়েছে, তারা দ্রুত নতুন এক সর্বোচ্চ নেতা বেছে নেবে। অস্থায়ীভাবে দেশ পরিচালনার জন্য একটি অন্তর্র্বতীকালীন নেতৃত্ব কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন- প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই এবং সিনিয়র ধর্মগুরু আলিরেজা আরাফি।
নতুন সর্বোচ্চ নেতার আনুষ্ঠানিক নির্বাচন করবে ‘অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস’ নামে পরিচিত ৮৮ জন প্রবীণ ধর্মগুরুদের সংস্থা।
দেশের সংবিধান অনুসারে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করতে হবে এই ধর্মগুরুদের। তবে দেশটি আক্রমণের মুখোমুখি হওয়ার কারণে যে নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তাতে কাজটি কঠিন হতে পারে।
এই অঞ্চলে ভ্রমণ করা কি নিরাপদ এবং যুদ্ধ কতদিন স্থায়ী হতে পারে?
ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার বলেছিলেন যে ‘গোটা সপ্তাহ জুড়ে, অথবা যতদিন প্রয়োজন, ততদিন ইরানের ওপরে হামলা অব্যাহত থাকবে।’ তবে তারপরে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন সময়সীমা আরও বাড়তেও পারে।
রোববার নিউইয়র্ক টাইমসকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একই গতিতে চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যেতে পারে।
সোমবার হোয়াইট হাউসে এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের পূর্বাভাস দিয়েছি, কিন্তু এর চেয়েও অনেক বেশি সময়ের জন্য আমরা সক্ষম।’
তিনি আরও বলেন, সময়সীমা নিয়ে আগে যে অনুমান করা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই তার থেকে ‘অনেকটাই এগিয়ে’ রয়েছে।
শনিবার নেতানিয়াহু বলেন, ‘যতদিন প্রয়োজন ততদিন এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
যুক্তরাজ্যের ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) জানিয়েছে, যারা মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তারা যেন নিজেদের গন্তব্য সম্পর্কিত তথ্যের জন্য সংস্থাটির ওয়েবসাইটের নজর রাখেন।
এই অঞ্চলে হাজার হাজার বিমান নামিয়ে নেওয়া হয়েছে, যার ফলে করোনা মহামারি-পরবর্তী বিশ্বব্যাপী ভ্রমণের সবথেকে বড় বাধাবিঘ্ন তৈরি হয়েছে।
দুবাই-ভিত্তিক এমিরেটস এয়ারলাইন্স সাময়িকভাবে দুবাই থেকে তাদের বিমান চলাচল স্থগিত করে দিয়েছিল, তবে সোমবার রাত থেকে তারা ‘সীমিত সংখ্যক ফ্লাইট’ পরিচালনা করছে।
অনেক বিমানসংস্থা তাদের বিমানের যাত্রাপথ ঘুরিয়ে দিয়েছে, অথবা বাতিল করেছে।
কাতারের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় দোহা থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বিমান ওঠানামা করছে না
ইরাক ও জর্ডনসহ ওই অঞ্চলের কয়েকটি দেশও তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। -বিবিসি বাংলা