সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও শহরের নি¤œাঞ্চলের ঘর-বাড়িতে এবং বিভিন্ন এখনও বন্যার পানি রয়েছে। বাসা-বাড়ি থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরছে আশ্রয় নেয়া বন্যার্তরা। তবে, বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবায় জেলার ১২টি উপজেলা ও চারটি পৌরসভায় বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে মাঠে কাজ করছে একশত একটি মেডিকেল টিম।
শনিবার (২২ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর পানি উন্নয়ন বোর্ডে স্কেলে ৭ দশমিক ৬৬ সেমিন্টমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যা বিপদসীমার ১৪ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত তিনদিন সুনামগঞ্জে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বন্যার পানি শহরের সড়কগুলো থেকে পানি নেমে গেলা বিভিন্ন পাড়া ও মহল্লায় এখনও হাটু পানি কোথাও আবার উরু সমান পানি মারিয়ে চলাচল করছেন বাসিন্দারা। এছাড়াও জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ^ম্ভরপুর, তাহিরপুর ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাড়ি-ঘর থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।
জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার বড়মেহা গ্রামের গৃহবধূ রিমা বেগম জানান, শনিবার একটি মেডিকেল তাদের গ্রামের গিয়েছে। বন্যায় অসুস্থ হয়ে পড়াদের চিকিৎসা দিয়েছে।
সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন জানান, বন্যার শুরুতেই সুনামগঞ্জ জেলায় একশত একটি মেডিকেল টিম বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত রয়েছে। মেডিকেল টিমের সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে।